ইশরাককে গ্রেপ্তারের নিন্দা ফখরুলের
বিএনপি নেতা ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র প্রার্থী প্রকৌশলী ইশরাক হোসেনের মুক্তি দাবি করেছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। আজ বুধবার দুপুরে সংবাদমাধ্যমে পাঠানো একটি বিবৃতিতে ইশরাকের মুক্তি দাবি করেন তিনি।
ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ইশরাক প্রতিবাদী বলিষ্ঠ তরুণ নেতা। তার সাহসী ভূমিকায় সরকার ভীত। তাই তিনি আওয়ামী প্রতিহিংসাপরায়ণ রাজনীতির শিকার হলেন।
এদিন সকাল ১১টার পর মতিঝিলের একটি হোটেলের সামনে থেকে ইশরাককে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পুলিশ সূত্র জানায়, ২০২০ সালের একটি গাড়ী পোড়ানো মামলায় ইশরাকের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারী পরোয়ানা ছিল। সেটিতেই তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
গ্রেপ্তারের পর ইশরাককে দুপুরে আদালতে পাঠানো হয়। সেখানে তার জামিন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।
এই ঘটনায় পাঠানো বিবৃতিতে মির্জা ফখরুল বলেন, নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে আজ মতিঝিল এলাকায় জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল ঢাকা মহানগর দক্ষিণের উদ্যোগে প্রচারপত্র বিলি করার সময় পুলিশ বিনা উস্কানিতে বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক উপ-কমিটির সদস্য ইশরাক হোসেনকে গ্রেপ্তার করেছে।
এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান তিনি। বিএনপি মহাসচিব জানান, নিত্যপণ্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে প্রচারপত্র বিলির মতো একটি জনসচেতনতামূলক কর্মসূচি থেকে তাকে গ্রেপ্তারে আবারও প্রমাণ হলো, এ সরকার চরম জুলুমবাজ। ভয়াবহ আওয়ামী দুঃশাসনে জনগণের তীব্র ক্ষোভের মুখে সরকার এখন নিপীড়নের পথ বেছে নিয়েছে।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, শাসকগোষ্ঠী দেশে এক শ্বাসরুদ্ধকর অবস্থার সৃষ্টি করেছে। এ অবস্থা থেকে উত্তরণে দলমত নির্বিশেষে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি।
বিএনপি মহাসচিব অবিলম্বে ইশরাকের নিঃশর্ত মুক্তির জোর দাবি জানান।