ছাত্রকে দিয়ে ছাত্রীর গালে চড়, তদন্তে কমিটি
ব্রাক্ষ্মণবাড়িয়ার শিক্ষা মহলে উত্তাপ ছড়াচ্ছে একটি চড়কাণ্ড। বাঞ্ছারামপুর উপজেলার একটি কলেজের দ্বাদশ শ্রেণিতে ঘটনাটা ঘটেছে বলে প্রকাশ। এক ছাত্রী পড়া পারেননি। শ্রেণি শিক্ষক তখন সহপাঠী এক ছাত্রকে দিয়ে ওই ছাত্রীর গালে চড় মারিয়েছেন। এই অভিযোগ শিক্ষকের বিরুদ্ধে।
এর মধ্যে কলেজ কর্তৃপক্ষ ৫ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গড়ে ফেলেছে। শুক্রবার তদন্ত সংক্রান্ত চিঠি কমিটির সদস্যদের কাছে পাঠানো হয়েছে।
বাঞ্ছারামপুরের ফরদাবাদ ইউনিয়নের এই কলেজের নাম ড. রওশন আলম কলেজ। এখানে ওই চড়কাণ্ডের ঘটনাটা ৪ এপ্রিল ঘটলেও বিষয়টি জানাজানি হয় তদন্ত কমিটি গঠনের পর।
অভিযুক্ত শিক্ষকের নাম সাদেকুর রহমান। তিনি অবশ্য বলছেন, ওই ছাত্র অতি উৎসাহী হয়ে আলতো করে সহপাঠী ছাত্রীর গালে হাত বুলিয়েছেন।
কলেজটির শিক্ষক ও ছাত্রদের সূত্র থেকে জানা যায়, সেদিন পদার্থবিজ্ঞানের ক্লাস নিচ্ছিলেন সাদেকুর রহমান। দ্বাদশ শ্রেণিতে তিনি একটা পড়া বুঝিয়ে দিলেন। তারপর আলোচিত ওই ছাত্রীকে পড়া জিজ্ঞেস করেন। ছাত্রী পড়া পারেন না।
এই সময় ভুল করায় ছাত্রীকে নিজের গালে নিজেকে চড় মারতে বলেন শিক্ষক। ছাত্রী তা না করায় তার গালে চড় মারতে আরেক ছাত্রীকে বলেন শিক্ষক। কিন্তু ওই ছাত্রীও তাতে সম্মত হননি। পরে এক ছাত্রকে ওই ছাত্রীর গালে চড় দিতে বলেন সাদেকুর। এ সময় ওই ছাত্র ছাত্রীর গালে চড় মারেন। এ ঘটনা জানাজানি হলে ক্ষোভে ফেটে পড়েন অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরা।
ছাত্রীর বাবা এই বিষয়ে বলেন, ঘটনা জানার পর তারা কলেজে গিয়েছেন। ওই শিক্ষক ও কলেজ কর্তৃপক্ষ তার কাছে ক্ষমা চেয়েছেন।