বেড়ে চলছে আর্মেনিয়া-আজারবাইজানের সংঘর্ষ, নিহত ৩৯
নাগরনো-কারাবাখ অঞ্চল নিয়ে আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানের মধ্যে চলমান সংঘর্ষে নিহতের সংখ্যা অন্তত ৩৯ জন । গত দু’দিন ধরে চলা সংঘর্ষে সোমবার নতুন করে আরো ১৫ জন নিহত হওয়ায় মোট প্রাণহানির সংখ্যাও বৃদ্ধি পায়।
আজারবাইজানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, যুদ্ধ শুরু পর এ পর্যন্ত তাদের ছয় বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছে। আহত হয়েছে ১৯ জন।
আর্মেনিয়ার এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, তাদের আরো ১৫ সেনা নিহত হয়েছে। এর ফলে মোট নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩১ জনে।
এর আগে বিচ্ছিন্ন অঞ্চল নাগরনো-কারাবাখের নেতা অ্যারিয়াক হারুটিউয়ান জানিয়েছিলেন, যুদ্ধের তীব্রতা বাড়ার কারণে আজারবাইজানের সেনাবাহিনীর কাছে রোববার তাদের বাহিনী কিছু ভূমি হারিয়েছে।
এদিকে বিশ্ব নেতৃবৃন্দ আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানের মধ্যকার এ সংঘর্ষ বন্ধের আহ্বান জানিয়েছে।
সাবেক সোভিয়েতভুক্ত এ দু’টি দেশ ১৯৯০ সাল থেকেই আঞ্চলিক বিরোধে জড়িয়ে আছে। ২০১৬ সালে এসে তা মারাত্মক রূপ নেয়।
এ প্রেক্ষাপটে জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস অবিলম্বে এই সংঘাত বন্ধের আহ্বান জানিয়েছেন।
দুই দেশের মধ্যে নাগরনো-কারাবাখ নিয়ে রোববার নতুন করে সংঘর্ষ শুরু হয়। ব্যাপক গোলাগুলির পর পরিস্থিতি যুদ্ধাবস্থায় পৌঁছায়।
এ প্রেক্ষাপটে আর্মেনীয় সরকার সামরিক আইন জারি করে নিজ জনগণকে যুদ্ধের জন্যে প্রস্তুত হতে বলেছে।
আর্মেনিয়ার দাবি, প্রথমে আজেরি বাহিনী তাদের বাহিনী লক্ষ্য করে গোলা ছোঁড়ে।
কিন্তু আজারবাইজান বলছে, আর্মেনিয়ার বাহিনীই প্রথমে তাদের সেনা ও বেসামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে গোলাবর্ষণ করে।